জরায়ুর ফাইব্রয়েড কতটা ভয়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, জুলাই ২৯, ২০২৫ ৬:১৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, জুলাই ২৯, ২০২৫ ৬:১৯ অপরাহ্ণ

জুলাই মাস বিশ্বব্যাপী ‘জরায়ুর ফাইব্রয়েড সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালিত হয়। এই উদ্যোগ নারীদের জরায়ুর ফাইব্রয়েড নিয়ে সচেতন করে তোলে। এর মাধ্যমে চিকিৎসা ও পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ বাড়ে।
ফাইব্রয়েড হলো জরায়ুর এক ধরনের অ-ক্যানসারাস টিউমার। এটি লেইওমায়োমা বা মায়োমা নামেও পরিচিত। সাধারণত ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে এটি নিরীহ হলেও, সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
এই টিউমার অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই থাকে। তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন— অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, তলপেটে ব্যথা বা চাপ, ঘন ঘন প্রস্রাব, শরীর ফুলে যাওয়া, যৌন মিলনে ব্যথা এবং গর্ভধারণে সমস্যা।
ওজনাধিক্য, বয়স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও বংশগত কারণও এর পেছনে কাজ করে।
ফাইব্রয়েড শনাক্ত করতে আলট্রাসাউন্ড, এমআরআই বা হিস্টেরোস্কোপি ব্যবহার করা হয়। ছোট টিউমার হলে ওষুধে চিকিৎসা চলে। তবে বড় বা জটিল টিউমারের ক্ষেত্রে অপারেশন লাগতে পারে।
অনেকে মনে করেন ফাইব্রয়েড মানেই সন্তান হবে না। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিলে জটিলতা কমে যায়।
এই রোগে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম—মাত্র ০.১%। তাই ভয়ের কিছু নেই। বরং সচেতনতা ও নিয়মিত চেকআপই হতে পারে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ