ঢাকায় নারী গুলিবিদ্ধ : সাবেক কাউন্সিলরের বোন নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ৪, ২০২৫ ৬:০৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, আগস্ট ৪, ২০২৫ ৬:০৩ অপরাহ্ণ

ঢাকায় নারী গুলিবিদ্ধ। দারুস সালামে সাবেক কাউন্সিলরের বোনকে রাত দেড়টার সময় গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
কীভাবে ঘটলো এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড
রাজধানীর দারুস সালাম থানার দক্ষিণ বিশিল এলাকায় ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে একদল সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত হন তাহমিনা রহমান রানু (৪২)। তিনি ছিলেন স্থানীয় একজন পরিচিত নারী এবং সাবেক কাউন্সিলর আমিনুল ইসলামের বোন।
সূত্র জানায়, তাহমিনার একটি দোকান ছিল, যেটি তিনি ভাড়া দিয়ে আয় করতেন। সেই দোকানের সামনেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার সময় কিছু সন্ত্রাসী এসে তার ভাই আমিনুল ইসলামের খোঁজ করে। আমিনুলকে না পেয়ে তাহমিনাকে গুলি করে তারা পালিয়ে যায়।
ঢাকায় নারী হত্যাকাণ্ড পুলিশ কী বলছে?
দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবব্রত কুমার বিশ্বাস জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহত তাহমিনার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
ঢাকায় নারী গুলিবিদ্ধ রাজনৈতিক যোগসূত্র রয়েছে কি?
যেহেতু নিহত তাহমিনা একজন সাবেক কাউন্সিলরের বোন, তাই এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয় জনগণ মনে করছেন, আমিনুল ইসলামের রাজনৈতিক ভূমিকার কারণেই হয়তো তিনি টার্গেট হন এবং অনুপস্থিত থাকায় তার বোন তাহমিনা হত্যার শিকার হন।
সমাজে নিরাপত্তাহীনতা ও নারীদের ঝুঁকি
ঢাকায় নারীকে গুলি করে হত্যা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি ভয়াবহ বার্তা বহন করে। সমাজে নারীরা কতটা অনিরাপদ, এই হত্যাকাণ্ড তারই প্রমাণ। বিশেষ করে রাতে বা একাকী অবস্থানে নারীদের সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও প্রশাসনের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।
ঢাকায় নারী গুলিবিদ্ধ জনগণের উদ্বেগ ও প্রতিবাদ
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিচার চেয়ে পোস্ট করছেন। তারা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দোষীদের আইনের আওতায় আনবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর করণীয়
এই ধরনের হত্যাকাণ্ড যেন আর না ঘটে, সে জন্য পুলিশের আরও সক্রিয় হওয়া জরুরি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
উপসংহার
ঢাকায় নারীকে গুলি করে হত্যা একটি মর্মান্তিক ঘটনা, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আমরা আশা করি, প্রশাসন দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে। তাহমিনা রহমান রানুর আত্মার শান্তি কামনা করি এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ