ঢাবি সংঘর্ষে নীরব ভূমিকা যা বলছে পুলিশ-ঢাবি কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, মে ৩১, ২০২২ ৬:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ২৪, ২০২২ ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নীরবতা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ অন্য সময়ের মতো কেন সক্রিয় ছিল না, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেন নীরবতা পালন করেছে এমন প্রশ্নে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যার যার দায়িত্ব যথা সময়ে পালন করা হয়েছে। এখানে কোনো গাফিলতি ছিল না। পুলিশের রমনা জোনের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কখনো নিজেরা যায়নি। প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাওয়ার অনুমতি দেয়। দ্বিতীয়ত, হাইকোর্ট এলাকায় কোর্টের ভেতরে পুলিশ কখনোই কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া যেতে পারে না। যায় না। ঢাবি এবং কোর্ট এলাকায় অন-কল না হলে পুলিশ একসঙ্গে কখনোই যেতে পারে না। আগামী দিনগুলোতে পুলিশের ভূমিকা কি থাকবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ বিধিবদ্ধ আইন অনুযায়ী চলে। পুলিশকে যেভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেই ভূমিকা পালন করবে।
আইনে আমাকে ক্ষমতা দেয়া আছে সে অনুযায়ী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের যা যা করণীয় তাই করবো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং শান্ত রাখতে আইনি যে সকল পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন তা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করেছে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান বলেন, পুলিশ কখনোই নীরব ছিল না। পুলিশ যথাসম্ভব তার কার্যক্রমের জন্য এগিয়ে যায়। এবং গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, পুলিশ সরকারের সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করে। জনগণের টাকায় তারা চললেও তাদের কার্যক্রম হচ্ছে সরকার, তাদের দল এবং অঙ্গসংগঠনকে অরাজকতার নিরাপত্তা দেয়া। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এটা নতুন কোনো বিষয় না। পুলিশ কোথাও নিষ্ক্রিয় থাকে কোথাও সক্রিয় হয়। তাদের ধরন তো মোটামুটি পরিচিত। সরকারি কোনো দল বা সংগঠন যদি আক্রমণ করে, সন্ত্রাসে লিপ্ত হয় সেখানে পুলিশ নীরব থাকে কিংবা তাদের সহযোগিতা করে। আর যারা আক্রান্ত হয় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এটা ঢাবিতে প্রথম হয়নি। অনেক দিন ধরেই এই প্যাটার্ন চলে এসেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি মো. হায়দার আলী খান বলেন, ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশ নীরব ভূমিকায় ছিল কিংবা অ্যাকশনে যায়নি এটা ঠিক নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা আমন্ত্রণ না থাকলে পুলিশের প্রবেশ ও কোনো প্রকার কার্যক্রম সংঘটিত করার সুযোগ নেই।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ