পাল্টা শুল্ক নিয়ে আলোচনা করতে কাল যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছে বাংলাদেশের দল
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ২৭, ২০২৫ ৬:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ২৭, ২০২৫ ৭:২১ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্ক আলোচনা: মূল ঘটনাপ্রবাহ
সশরীর বৈঠকের সিদ্ধান্ত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা শুল্ক নিয়ে তৃতীয় দফার আলোচনা সরাসরি হবে। প্রথমে অনলাইনে হওয়ার কথা থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র শেষমুহূর্তে সশরীর বৈঠকে রাজি হয়েছে।
প্রতিনিধিদলের প্রস্তুতি
বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান জানান, সোমবার রাতে একটি দল যুক্তরাষ্ট্র যাবে। ফলে আলোচনা ৩০ জুলাই হবে।
আলোচনার প্রেক্ষাপট
গতবারের আলোচনা
খসড়া চুক্তি পাওয়ার পর দুই দফা সরাসরি এবং এক দফা অনলাইন বৈঠক হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে ২৩ জুলাই চূড়ান্ত অবস্থান জানানো হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া
সময় চাওয়ার পর তারা ২৯-৩০ জুলাই সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব দেয়। ৩১ জুলাই আরেকটি বৈঠক হতে পারে। ১ আগস্টের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা
দলে থাকবেন:
- বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন
- জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান
- বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান
- অতিরিক্ত সচিব নাজনীন কাউসার
শুল্ক ইস্যুর ইতিহাস
প্রাথমিক ঘোষণা
২ এপ্রিল ট্রাম্প ৬০ দেশের ওপর ৩৫% শুল্ক ঘোষণা করেন। বাংলাদেশ ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানায়।
স্থগিতাদেশ
৯ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র তিন মাসের জন্য শুল্ক স্থগিত করে। এই সময়সীমা ৯ জুলাই শেষ হয়।
সম্ভাব্য প্রভাব
শুল্ক হার বৃদ্ধি
বর্তমানে গড় শুল্ক ১৫%। নতুন হার কার্যকর হলে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৫০%।
বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ
এতে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ
আলোচনার গুরুত্ব
সরকার এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতিবাচক ফলাফল আসলে শুল্ক বৃদ্ধি এড়ানো যেতে পারে।
বিকল্প পরিকল্পনা
যদি শুল্ক বৃদ্ধি হয়, তবে বাংলাদেশকে নতুন বাজার অনুসন্ধান করতে হবে। রপ্তানি বৈচিত্র্য আনয়নও জরুরি হবে।
শেষ কথা
এই আলোচনা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে সম্ভাব্য ক্ষতি কমানোর জন্য।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ