প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে বাংলাদেশকে নিরাপত্তা দিয়েছে পাকিস্তান

Published: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২০ ১:০২ পূর্বাহ্ণ   |   Modified: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২০ ১:০২ পূর্বাহ্ণ
 

স্বাধীন খবর ডট কম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের প্রবেশের পূর্বে ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে প্রবেশের আগে অন্তত ৭টি নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গেইট পাড়ি দিতে হয়। ব্যবহার করা হয়েছিলো প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মনিটরিং করা হতো বিশাল এক কন্ট্রোল রুম থেকে।গাদ্দাফি স্টেডিয়াম এলাকাকে স্থানীয়রা বলে থাকে ক্রীড়া পল্লী। কারণ ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, সাঁতার কিংবা ঘোড়দৌড়ের মাঠ সবগুলোই এক্কেবারে পাশাপাশি। লাহোর জাতীয় হকি স্টেডিয়ামের দ্বিতীয়তলার এই রুমে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।জানা গেছে, ম্যাচের দিন গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের ৮ মিলোমিটার এলাকাজুড়ে থাকে নজিরবিহীন নিরাপত্তা। পাকিস্তান সরকারের ৭টি নিরাপত্তা সংস্থার মোট সাড়ে ১২ হাজার নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত থাকে ম্যাচের দিন।এছাড়াও, স্টেডিয়াম এলাকাজুড়ে ৩০০টি সিসি ক্যামেরার দুর্বিন দৃস্টি রাখছে সবার চলাফেরা ধারণ করতে। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে মেটাল ডিটেকটর ৭টি ধাপ পাড়ি দিয়ে হয়। ভুলবসত কোনো নিরাপত্তা কর্মী কাউকে তল্লাশি না করলে, সাথে সাথে কন্ট্রোল রুম থেকে দিক নির্দেশনা চলে যায়।কিন্তু, তারপরেও কৌতূহলী মনের প্রশ্ন। কারও হামলা করার ইচ্ছে থাকলে সে তো চাইবে কোনো না কোনো মাধ্যমে হামলা করতে। সেক্ষেত্রে কিভাবে তা প্রতিহত করবে পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এ প্রসঙ্গে লাহোরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আল মোর্শেদ সৈয়দ বলেন, কেউ চাইলেই আক্রমণ করতে পারবে না। আমরা আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়াও বিশেষ ধরণের কুকুর ব্যবহার করছি। অবৈধ কিছু থাকলেই তা সনাক্ত হয়ে যাবে। তাছাড়া সন্দেহজনক চলাচল দেখলেও আমরা তাকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। এসব বলয় ভেদ করে আসলে হামলা করার কোনো সুযোগই নেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তায় লাহোরের পর্বের পর এই প্রযুক্তির ব্যবহার রাওয়লপিন্ডি ও করাচিতেও করা হবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
 
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com