বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে গেছে: নাসিম মঞ্জুর
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫ ৬:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫ ৬:১৫ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাংলাদেশ রপ্তানি সংকট
প্রধান রপ্তানি বাজারে চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানত জুতা ও উপকরণ রপ্তানি করে। সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর জানিয়েছেন, এই বাজারে প্রতিবছর প্রায় ৪০ কোটি ডলারের পণ্য যায়। তবে, সাম্প্রতিক পাল্টা শুল্কের কারণে এ রপ্তানির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
প্রবৃদ্ধি থাকা সত্ত্বেও ঝুঁকি বাড়ছে
তুলনামূলকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত। এক বছরে রপ্তানি ২৮ কোটি ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ডলারে। অথচ ইউরোপের বাজারে এই প্রবৃদ্ধি নেই। যদিও এত বড় বাজার থাকা সত্ত্বেও, নতুন শুল্কনীতি বাংলাদেশকে চাপের মুখে ফেলেছে।
বিকল্প বাজার খুঁজে পাওয়া কঠিন
নাসিম মঞ্জুর বলেন, “বিকল্প বাজার খোঁজা সময়সাপেক্ষ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভোক্তা বাজার হঠাৎ ছেড়ে অন্যত্র যাওয়াটা বাস্তবসম্মত নয়।”
রপ্তানিকারকদের উদ্বেগ
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রেতা এখন অর্ডার স্থগিত করছে। তারা জানতে চাইছে, যদি শুল্ক আরোপ হয়, তাহলে বাংলাদেশ কী পরিমাণ ক্ষতি নিতে পারবে? কিন্তু বাস্তবতা হলো—দেশের রপ্তানিকারকরা কম মুনাফায় কাজ করে। তাই অতিরিক্ত শুল্ক বহন করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
করণীয় কী?
বাংলাদেশের উচিত হবে অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া। তাছাড়া, লবিস্ট নিয়োগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে সক্রিয় যোগাযোগ বাড়াতে হবে। কাঠামোগত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনায় অংশগ্রহণও এখন সময়ের দাবি।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ