মহেশপুরে গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে কৃষকরা দিশেহারা

Published: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২০ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ   |   Modified: শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২০ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ
 

স্বাধীন খবর ডট কম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইমরান হোসেন, মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গবাদী পশু পালনকারী খামারীরা পড়েছে এক মহা বিপাকে।

সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গবাদী পশু পালনকারীদের বিচালির গাদা ফুরিয়ে যাওয়ায় খাদ্যের অভাবে গবাদী পশু রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছে,কেউ কেউ কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে স্থানীয় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। গো চরণ ভূমিগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় কাঁচা ঘাস, বিচালির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণ কৃষকসহ গরুর খামারিরা তাদের পশু নিয়ে মহা সংকট ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গো-খাদ্যের সংকটের কারণে ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে এলাকার অনেক গরুর খামার। খৈল, ভুসি, বিচালি ও কাচা ঘাস সহ গো-খাদ্যের অন্যান্য দ্রব্যের বাজার মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তা সংগ্রহে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে এসব খাদ্যের বিকল্প হিসেবে কচুরি পানা, বিভিন্ন গাছের লতা পাতা সহ নানা অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গো- খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করায় নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে পশু। আর এতে করে পশুর চিকিৎসায় বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে তাদের। এসব কারণে কৃষকরা বাধ্য হচ্ছে তাদের পশু বিক্রি করে দিতে। গো- খাদ্যের সংকটের কারণে অনেক কৃষকের গরু পালন বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার একাধিক পশু পালনকারীরা জানান, গো-খাদ্যের মূল্য এতোটাই চড়া যা ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।প্রতি কাউন শুকনো বিচুলী (৭হাজার থেকে ৯হাজার) টাকা পযন্ত বিক্রি হচ্ছে। খাদ্য সংকটের কারণে গাভীও কম দুধ দিচ্ছে বলে তারা জানান। এক মুষ্টি বিচুলি ৫ থেকে ৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা জানিয়েছে, একটি গরুর প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫-৩০ মুষ্টি বিচালীর প্রয়োজন। এছাড়ার বিচালির সাথে খৈল, ভূসি ও খুদের প্রয়োজন হয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
 
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com