মালেগাঁও কবরস্থান বিস্ফোরণ মামলায় প্রজ্ঞা ঠাকুরসহ সকল অভিযুক্ত খালাস
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩১, ২০২৫ ৯:০৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩১, ২০২৫ ৯:০৭ অপরাহ্ণ

ভারতের মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ে ২০০৮ সালের ভয়াবহ বিস্ফোরণ মামলায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর সব অভিযুক্তকেই খালাস দিয়েছেন এনআইএর বিশেষ আদালত। সাতজন অভিযুক্তের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ভোপাল থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিচারক এ কে লাহোটি রায়ে বলেন, “সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।” মামলায় পেশকৃত সাক্ষ্যপ্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি বিস্ফোরণে ব্যবহৃত বাইকটি যে প্রজ্ঞা ঠাকুরেরই ছিল, তা নিশ্চিত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা।
২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মালেগাঁও শহরের একটি মসজিদের পাশে কবরস্থানে বিস্ফোরণের ঘটনায় সাতজন নিহত এবং শতাধিক আহত হন। ওই ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরবাইকটি প্রজ্ঞার নামে নিবন্ধিত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পরে মহারাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন শাখা এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA) বিষয়টি তদন্ত করে।
তদন্ত চলাকালে প্রজ্ঞা ঠাকুর ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ শ্রীকান্ত পুরোহিতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়। যদিও আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ইউএপিএ এই মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
বিচারক জানান, ৩২৩ জন সাক্ষীর বয়ান খতিয়ে দেখা হলেও, কোনো দৃঢ় প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। প্রজ্ঞা ঠাকুর জানান, গ্রেপ্তারের পর তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে। মামলাকে তিনি “গেরুয়া অবমাননার ষড়যন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এই রায়ে হিন্দুত্ব ও গেরুয়ার জয় হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে বিজেপি তাঁকে ভোপাল থেকে প্রার্থী করে এবং তিনি জয়ী হন। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি।
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ