রোজায় রহমতের ১০ দিনে যা করণীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৪:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৪:১৭ অপরাহ্ণ

রমজান মাসের প্রথম দশ দিনকে রহমতের দিন বলা হয়, দ্বিতীয় দশ দিন মাগফিরাত (ক্ষমা) এবং শেষ দশ দিন নাজাত (উদ্ধার) হিসেবে। প্রথম দশকে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম রহমত ও দয়া বর্ষণ করেন। (সহিহ ইবনে খুজাইমা ১৮৮৭)
এই মাসে পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। রমজানে শয়তানকে শেকল দিয়ে বন্ধ করা হয়, যাতে সে রোজাদারের নেক কাজকে বিঘ্নিত করতে না পারে। জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে। এটি আল্লাহর অফুরন্ত রহমতের প্রকাশ।
রমজানের রহমতের দশকে রোজাদারদের করণীয় হলো:
- দিনের বেলা নিষ্ঠার সঙ্গে রোজা পালন করা।
- জামাতে নামাজ আদায় করা।
- রাতের তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া।
- কোরআন তিলাওয়াত করা।
- দান-সদকা করা।
- আল্লাহর জিকির করা ও তাকওয়া অর্জনে সচেষ্ট থাকা।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সঙ্গে সওয়াবের উদ্দেশ্যে রমজান মাসে রোজা রাখবে, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে।”
প্রথম দশকে কোরআনের দোয়া বেশি বেশি পাঠ করা যেতে পারে:
وَقُل رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: ওয়া কুর রব্বিগফির ওয়ার হাম ওয়া আনতা খইরুর রহিমিন
অর্থ: “হে আমার রব! ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।” (সূরা মুমিনুন, আয়াত ১১৮)
রমজানের প্রথম রাতেই শয়তান ও অবাধ্য জিনদের বন্দী করা হয়, জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে। এর অর্থ হলো নেক কাজ করা সহজ এবং বদ কাজ থেকে বিরত থাকা সহজ হয়ে যায়। শয়তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে রোজাদারকে প্রতারণা ও প্ররোচনায় বিভ্রান্ত করতে না পারে।
আপনি চাইলে আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, প্রার্থনার মতো আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি, যা পড়ার সময় আরও প্রাঞ্জল মনে হবে। আপনি কি সেটা চাইবেন?
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ