• আজ রাত ১০:২১, বৃহস্পতিবার, ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
  • shadinkhobor24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

৩৬ জুলাই মুক্তির বিতর্ক: রাবির আর্থিক অনুদান অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, স্বাধীন খবর ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জুলাই ৩০, ২০২৫ ৭:৫৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জুলাই ৩০, ২০২৫ ৭:৫৭ অপরাহ্ণ

৩৬ জুলাই মুক্তির বিতর্ক: রাবির আর্থিক অনুদান অভিযোগ
 

রাবির ‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’ বিতর্ক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, সাবেক এক ছাত্র সমন্বয়কের বিরুদ্ধে আর্থিক অনুদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিঠি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


অনুদানের চিঠি ও উপাচার্যের ভূমিকা

অনুষ্ঠানের জন্য ৭০টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭৬ লাখ টাকা অনুদানের চিঠি দিয়েছেন সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মা। তাছাড়া, উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব তার পক্ষে সুপারিশ দিয়েছেন।

যাইহোক, এই চিঠিগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। অনেকেই এটিকে ‘চাঁদাবাজি’ বললেও, আম্মা এটিকে ‘ভয়াবহ মিডিয়া ট্রায়াল’ বলছেন।


অনুদানের লক্ষ্যমাত্রা ও আবেদন

সালাউদ্দিন আম্মা জানান, তারা দুই দিনের অনুষ্ঠানের জন্য ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টাকার অনুদান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিলেন। এখন ২১ প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন প্রস্তুত। তবে, মাত্র ১৪ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হয়েছে।


অনুষ্ঠান ও উদ্দেশ্য

চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৬ জুলাই রাজশাহীর গৌরবময় একটি স্মরণীয় দিন। এটি ‘জুলাই আন্দোলন’ নামে পরিচিত। এ দিনে অনেক তরুণ শহীদ ও আহত হয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সমন্বয়করা অংশ নেবেন। মূল লক্ষ্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং তরুণ প্রজন্মকে আত্মত্যাগের গল্প শেখানো।

এস কে হৃদয়ও চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি ‘৩৬ জুলাই মুক্তির উৎসবের অর্গানাইজার’ এবং ক্যাম্পাস বাউলিয়ানার ডিরেক্টর।


অনুমোদন প্রক্রিয়া

উপাচার্য ৯ জুলাই প্রস্তাবনায় সুপারিশ দিয়েছেন। এরপর ২১ জুলাই রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাছে আবেদন করা হয়। ফলে, ২৩ জুলাই ২ লাখ টাকা অনুদান অনুমোদন হয়।


উপাচার্যের মন্তব্য

উপাচার্য বলেন, ছাত্র ও সংগঠন এক্সট্রা-কারিকুলার ইভেন্টের জন্য সাহায্য চেয়েছে। আমরা যতটা সম্ভব সহযোগিতা করি। তবে প্রশাসন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দূরে থাকে।

তিনি আরও বলেন, কো-কারিকুলার এবং সাংস্কৃতিক কাজে ছাত্রদের উদ্যোগে সাহায্য করা উচিত। যদিও পরিবেশ এত বিষাক্ত যে, যেকোনো উদ্যোগে সাহায্যের আগে আমাকে ভাবতে হয়।


সংক্ষেপে

‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’ নিয়ে বিতর্ক চলছে। এছাড়া, অর্থায়ন ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে।

 
 
স্বাধীন খবর ডটকম/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ